মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ যুক্ত হলে জোটের পরিধি দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়বে: সাকিব সাদাকাত
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে এই জোটের ভৌগোলিক বিস্তৃতি দক্ষিণ এশিয়া ও বঙ্গোপসাগর অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মদ সাকিব সাদাকাত।
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে এই জোটের ভৌগোলিক বিস্তৃতি দক্ষিণ এশিয়া ও বঙ্গোপসাগর অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মদ সাকিব সাদাকাত। সম্প্রতি করাচিতে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ও ‘ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি ফোরাম’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অর্থনৈতিক সেমিনারে তিনি এই বক্তব্য দেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ যুক্ত হলে বর্তমান সদস্য দেশগুলো বিশেষ সুবিধা পাবে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই জোটে যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, কৌশলগত সমন্বয় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে অন্যান্য মুসলিম দেশও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গত আগস্টে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, সৌদি আরবের দেওয়া আমন্ত্রণকে ঢাকা ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করছে। এর আগে গত মে মাসে পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। এসব বিষয় দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নতুন করে জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
সেমিনারে উভয় দেশের অর্থনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপরও জোর দেন সাকিব সাদাকাত। তিনি তৈরি পোশাক, ওষুধ, সুতা, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন খাতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি পাকিস্তানের জন্য কার্যকর হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইরফান সুমরো, ব্যবসায়ী নেতা জুবায়ের মতিওয়ালা এবং ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মুহাম্মদ ফারুক আফজাল উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার শেষে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।