জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার ভোট নিয়ে সংশয়, আজ ইসির বৈঠক
আগামী বছরের জানুয়ারিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আগামী বছরের জানুয়ারিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতির ঘাটতি এবং বিএনপির বাড়তি সময় চাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজ সোমবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। এই আলোচনার পরেই ভোটের বিষয়ে চূড়ান্ত বার্তা মিলতে পারে।
রবিবার জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। কমিটির সভাপতি একেএম সেলিম রেজা হাবিব জানান, স্থানীয় নির্বাচন বেশ জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা প্রয়োজন। তাই বাহিনীকে গুছিয়ে নেওয়ার সময় দিয়ে তফসিল ঘোষণা করা উচিত। তবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে বছরের শুরুর দিকেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন। এ ছাড়া বৈঠকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখার সুপারিশ করা হয়।
অন্যদিকে গত শুক্রবার বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির সভায় প্রশাসনিক অচলাবস্থা কাটানো এবং সাংগঠনিক প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় নেওয়ার বিষয়ে মত দেওয়া হয়। দলীয় প্রতীক না থাকায় সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে আগে থেকেই বিরোধ মীমাংসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই আজ সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে কমিশনের বৈঠক শুরু হচ্ছে। সেখানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র কার্যক্রম ও ‘জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫’-এর খসড়াসহ ছয়টি আলোচ্যসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।