ডেইলি বাংলাগ্রাম

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদে হচ্ছে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, প্রশাসনিক পদক্ষেপের নির্দেশ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদের ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদে হচ্ছে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, প্রশাসনিক পদক্ষেপের নির্দেশ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদের ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। আবরারের বাবা বরকত উল্লাহর লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট–বড় বাজার সংযোগ সড়কে সেতুটি তৈরির প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করতে এবং কাজের অগ্রগতি জানাতে বলা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে আবরারের বাবা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর নির্যাতনে প্রাণ হারান তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। তিনি কুমারখালীর রায়ডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বরাবর দেওয়া আবেদনে আবরারের বাবা উল্লেখ করেন, কয়া, শিলাইদহ, চাপড়া, নন্দলালপুর ও হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষের নদী পারাপারে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জীবিকা, শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ নৌকায় নদী পার হন। সেতুটি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমবে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি থেকে লালন শাহের আখড়ার যোগাযোগ সুগম হবে।

এর আগে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ সেতু নির্মাণের প্রথম আবেদন জানানো হয়। একই বছরের ৩০ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলীর তথ্য অনুযায়ী, গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত এই সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৮০০ মিটার। পরবর্তীতে পরিবেশ জরিপের দল এবং বুয়েটের প্রকৌশলীরা সম্ভাব্য এলাকা পরিদর্শন করেন।