লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স প্রথমবার প্রকাশ্যে খোলা হলো, মিলল প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহর আখড়াবাড়ির দানবাক্স এবারই প্রথম সবার সামনে খোলা ও গণনা করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহর আখড়াবাড়ির দানবাক্স এবারই প্রথম সবার সামনে খোলা ও গণনা করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে দানবাক্সটি খোলা হয়। লালন একাডেমির একটি কক্ষে বেলা দুইটা পর্যন্ত গণনা চলে। এতে মোট ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গেছে। এই অর্থ রোববার লালন একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাভিদ সারওয়ার জানান, দুটি উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে চারবার এই দানবাক্স খোলা হয়। আগামী ১৭ অক্টোবর লালন শাহর ১৩৬তম তিরোধান দিবস। সেই উপলক্ষেই এবার এটি খোলা হলো। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আবারও সবার সামনে দানবাক্স খোলা হবে। তিনি আরও জানান, গত বছর ১৩৫তম তিরোধান দিবসের আগে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং উৎসবের তিন দিন পর ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাকির হোসেন বলেন, দানবাক্স থেকে পাওয়া অর্থ লালন একাডেমির তহবিলে যুক্ত হবে। এদিকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্স খোলা ও গণনার পদক্ষেপকে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। লালন শাহর তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা ছাড়াও সারা বছর দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত আখড়াবাড়িতে আসেন এবং দানবাক্সে অর্থ দেন।