শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আইনি বিষয়: ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়া বলে আবারও অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়া বলে আবারও অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই কথা জানান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাসিনার বিচার ও সাজা সংক্রান্ত নথি পাঠানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, ভারতে হাসিনা ও তাঁর দলের তৎপরতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পিত দিল্লি সফরে প্রধান বাধা। জবাবে জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে তাঁরা একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। এই নীতিই বর্তমানে দুই দেশের যোগাযোগের মূল চালিকাশক্তি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন শেখ রেহানা। তখন থেকেই তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছেন। ভারত ও বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্কে এটি একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে ঢাকা।