প্রশ্ন ফাঁসে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল: ৩ লাখ প্রার্থীর ক্ষতির দায় কার, প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহর
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিট আগে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢাকায় আসা প্রায় তিন লাখ চাকরিপ্রার্থী চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এই পরিস্থিতির দায় কে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানান। হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেন, দুই শতাধিক পদের বিপরীতে ১০০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। অনেকে ধারদেনা কিংবা টিউশনির টাকা জমিয়ে মেধার জোরে চাকরির আশায় ঢাকায় এসেছিলেন। কিন্তু আগের রাত থেকেই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটে। নতুন করে পরীক্ষার আয়োজনে জনগণের অর্থের অপচয় হবে এবং চাকরিপ্রার্থীরা হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত আমলা, সরকারি কর্মকর্তা বা দলীয় নেতাকর্মীদের অবিলম্বে ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতারের দাবি জানান এনসিপির এই নেতা। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার করে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী যদি সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারেন, তবে তার পদত্যাগ করা উচিত।