রুশ ডিজেল আমদানি ও মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা
রাশিয়ার ডিজেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ফোর্ট হুড হামলার অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
রাশিয়ার ডিজেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ফোর্ট হুড হামলার অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। শুক্রবার ডেমোক্র্যাট দলের নেতাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রিপাবলিকান নেতাও তাঁর এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সমালোচকদের অভিযোগ, বিশ্ববাজারে ছয় মাসের জন্য রুশ ডিজেল কেনার অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে ট্রাম্প আসলে ইউক্রেন যুদ্ধে ভ্লাদিমির পুতিনের অর্থনীতিকেই সহায়তা করছেন।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, চাক শুমার, জিন শাহিন এবং ক্রিস ভ্যান হলেন এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানে ট্রাম্পের সংঘাতের কারণে তেলের দাম বেড়েছিল এবং এখন তিনি ইউক্রেন ও মিত্রদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে পুতিনকে সহযোগিতা করছেন। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ডন বেকন জানান, ৭০ শতাংশ আমেরিকান যেখানে ইউক্রেনকে সমর্থন করে, সেখানে পুতিনের যুদ্ধ অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখা সম্পূর্ণ অন্যায়। আরেক রিপাবলিকান নেতা মাইকেল ম্যাককলও উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে ক্রেমলিনের যুদ্ধের তহবিলই ভারী হবে এবং সহিংসতা বাড়বে।
একই সঙ্গে ২০০৯ সালে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাবেক সেনা মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন দুই দলের রাজনীতিকরা। রিপাবলিকান নেত্রী নিকি হ্যালি, সিনেটর লিসা মারকাউস্কি, টম ব্যারেট, মাইকেল বাউমগার্টনার এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তাঁরা জানান, প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা উত্তর কোরিয়া, ইরান কিংবা তালেবানের মতো চরমপন্থীদের কাজ এবং এটি বিচারকে একটি জনসমক্ষে প্রদর্শনীতে রূপান্তর করবে।