জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিম: শহীদ শিশু, শিক্ষার্থী
৬ বছর বয়সী জাবির ইব্রাহিম, ৫ আগস্ট ২০২৪ কুয়েত‑মৈত্রী হাসপাতালে শহাদাত
জাবির ইব্রাহিম ১৯ মে, ২০১৮ তারিখে ঢাকা‑সিটি, দক্ষিণখান থানা, পশ্চিম মোল্লারটেক এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কবির হোসাইন বেসরকারি মোবাইল রিটেইলার হিসেবে কর্মরত এবং মাতা রোকেয়া বেগম গৃহিণী। পরিবারে তিনি সর্বকনিষ্ঠ; বড় বোন জুমাইনা কবির নেহা (১৯ বছর, ছাত্রী) এবং বড় ভাই জুহায়ের মাহতাব আব্দুল্লাহ (১২ বছর, ছাত্র) রয়েছে।
জাবির কেসি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের নার্সারি (ইংরেজি ভার্সন)‑এ শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শান্ত স্বভাবের, হ্যান্ড‑ক্রাফট ও খেলনা তৈরিতে পারদর্শী এবং নামাজে নিষ্ঠাবান ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি আর্মি অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন।
৫ আগস্ট ২০২৪ বিকাল ৪:৩০ টায় উত্তরা সেক্টর‑৪, বাইতুস সালাম মাদরাসা গেইটের কাছাকাছি ঘটিত গুলিবিদ্ধ ঘটনার পর জাবিরের পরিবার তাকে কোলে নিয়ে দৌড়াতে লাগেন। দৌড়ে রাস্তায় জাবিরের উরুতে গুলি লেগে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে। দ্রুত কুয়েত‑মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রক্তের অভাবে ক্রস‑ম্যাচ না হওয়ায়, সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে তিনি ৬ বছর বয়সে শহাদাত বরণ করেন।
শহীদ জাবিরের দেহ ৪ নং সেক্টর সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মা রোকেয়া বেগম বলেন, “বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে কোলে নিয়ে দৌড়ালেন, আমি জাবিরকে কোলে তুলে নিলাম, কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরেও তাকে বাঁচাতে পারিনি।” তিনি আল্লাহর কাছে জান্নাতের জন্য দোয়া করেন।
তথ্য ও ছবি: JulyShohid.com প্রতিবেদনটি প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
সূত্র: [1]