সেন্টমার্টিনে পর্যটক সংখ্যা ও ভ্রমণের সময়সীমা পর্যালোচনার উদ্যোগ
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটকের সংখ্যা এবং জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটকের সংখ্যা এবং জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দ্বীপের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এ তথ্য জানান। তিনি জানান, দ্বীপের প্রাকৃতিক ধারণক্ষমতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সুপেয় পানির সংকট বিবেচনায় রেখে পর্যটন ব্যবস্থা নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে।
সভায় ২০২৬-২০২৭ পর্যটন মৌসুম নিয়ে পর্যালোচনার সময় পূর্বের বিভিন্ন বিধিনিষেধ খতিয়ে দেখা হয়। ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, নভেম্বর মাসে পর্যটকদের জন্য দিনে গিয়ে দিনে ফেরার নিয়ম ছিল। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাত্রিযাপনের সুযোগ রাখা হলেও দিনে গড়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক যাওয়ার অনুমতি ছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটক ভ্রমণ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল। এসব নিয়ম পর্যালোচনা করে খুব শিগগিরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তবে সামুদ্রিক কাছিম, পাখি ও প্রবাল সুরক্ষায় বিদ্যমান পরিবেশগত নিষেধাজ্ঞাগুলো আগের মতোই বলবৎ থাকবে। সৈকতে রাতে আলো জ্বালানো, গান-বাজনা বা বারবিকিউ করা এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও সৈকতে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ থাকবে। সভায় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অনুমোদিত পোর্টাল থেকে কিউআর কোডযুক্ত টিকিট সংগ্রহ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পরিহারের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ও মীর আহমদ বিন কাসেমসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।