নারীর টেকসই ক্ষমতায়নে পরিবারকে পাশে চান গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
নারীর প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে শুধু কাজের সুযোগ কিংবা পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া যথেষ্ট নয়, পরিবারকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।
নারীর প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে শুধু কাজের সুযোগ কিংবা পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া যথেষ্ট নয়, পরিবারকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন। সোমবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’ শীর্ষক প্রকল্পের সমাপ্তি উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হলে দেশের সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিতে হবে। গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মানসিকতা বদলানো গেলে নারীদের এগিয়ে চলা সহজ হবে। সেই সঙ্গে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগে পারদর্শিতা এবং নিজস্ব অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। এছাড়া বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারগুলোর সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।
ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা শাখার প্রধান দীপা শঙ্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্থাটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ ও কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর শীর্ষ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ঝরে পড়া কিশোরীদের প্রয়োজনীয় কাজের উপযোগী দক্ষ করে গড়ে তোলাই ছিল এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য।