ডেইলি বাংলাগ্রাম

দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় জড়িত চার ব্যক্তি হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য, দাবি নেতার

দিল্লিতে গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভে এক পুরুষ ও এক নারীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছেন হিন্দু রক্ষা দলের সভাপতি পিংকি চৌধুরী।

দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় জড়িত চার ব্যক্তি হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য, দাবি নেতার

দিল্লিতে গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভে এক পুরুষ ও এক নারীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছেন হিন্দু রক্ষা দলের সভাপতি পিংকি চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি তাদের ‘যোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত ওই বিক্ষোভের সময় হামলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর রবিবার, ১১ অক্টোবর তাদের গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন দিল্লির পাহাড়ি ধীরাজের রমন সাইনি (৫০), নাংলোইয়ের বিবেকানন্দ (৩২), গাজিয়াবাদের কপিল কুমার (২৭) এবং রবীন্দ্র সিং ওরফে গোবিন্দ হিন্দু (৩৫)।

হামলার ভিডিওতে অভিযুক্তদের এক পুরুষ বিক্ষোভকারীকে আঘাত করতে এবং এক নারীকে মাটিতে ফেলে মারতে দেখা গেছে। এই ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে হিন্দু রক্ষা দলের প্রধান পিংকি চৌধুরী দাবি করেন, তিনি নিজেই কর্মীদের লাঠি দিয়ে বিক্ষোভে পাঠিয়েছিলেন। সনাতন ধর্মের পক্ষে দাঁড়িয়ে তারা এই কাজ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী পক্ষের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে জানান, তাঁর সংগঠন কোনোভাবেই পিছু হটবে না। এদিকে কমলা মার্কেট থানা পুলিশ ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগটিও খতিয়ে দেখছে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিক্ষোভের ডাক দেওয়া দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) পুলিশের সামনে নারী বিক্ষোভকারীকে মারধরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আম আদমি পার্টিও (আপ) পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে একে ‘জরুরি অবস্থা ২.০’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তারা নারী বিক্ষোভকারীদের পুরুষ পুলিশ সদস্যদের দিয়ে টেনেহিঁচড়ে সরানোর ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। ১০ ও ১১ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভে যাওয়ার সময় পুলিশ বহু বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাকে আটক করে।