ডেইলি বাংলাগ্রাম

দিল্লির আটটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দিল্লিতে গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তৈরি আটটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রের ৫০০ মিটার এলাকার মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দিল্লির আটটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দিল্লিতে গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তৈরি আটটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রের ৫০০ মিটার এলাকার মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যন্তর মন্তরে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে সেখানকার চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ২৪ ঘণ্টার ইন্টারনেট বন্ধের পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই দিন রাত ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আটক কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ইন্টারনেট সংযোগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারি আদেশে উল্লেখিত আটটি অস্থায়ী কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে মডেল টাউনের ছত্রসাল স্টেডিয়াম, বাওয়ানার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম, যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্স, জসোলা স্পোর্টস কমপ্লেক্স, দৌলতপুর ও পান্ডওয়ালা খুরদের কমিউনিটি সেন্টার, জংলি রাম স্টেডিয়াম এবং সুরজমল স্টেডিয়াম। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের জারি করা আদেশে বলা হয়, জননিরাপত্তা রক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি এড়াতে টেলিযোগাযোগ আইন ২০২৩ অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এর ঠিক আগের দিনই এক বিশেষ শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মন্তব্য করেন যে, অত্যন্ত জরুরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছাড়া ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না।

প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে মধ্য দিল্লির জনপথ-কর্তব্য পথ মোড়ের চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধে এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া, জিও এবং এমটিএনএল-কে চিঠি দিয়েছিলেন দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের উপকমিশনার মণীষী চন্দ্র। সেই ‘অতি গোপনীয়’ নির্দেশের পাশাপাশি ওই দিন বহু বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় এবং মেট্রো ও ট্রেন চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোকে পরামর্শ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।