জুলাই আন্দোলনে আহত মু: ইকবাল মাহমুদ: ঔষধ ব্যবসায়ী
ইকবাল মাহমুদ ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ীর গুলিবিদ্ধ ঘটনার শিকার হয়ে, নিজের ঔষধ জ্ঞান দিয়ে স্ব-চিকিৎসা করে পুনরুদ্ধার করছেন।
মু: ইকবাল মাহমুদ ফরাজি ১ জানুয়ারি ১৯৯৬-এ ভোলার লালমোহনের দলিগর নগর ইউনিয়নের বড় ফরাজি বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঔষধ ব্যবসা করে "ইকবাল মেডিসিন শপ" নামে যাত্রাবাড়ী এলাকায় দোকান চালান এবং ব্যবসার সুবিধার্থে বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানার নয়ানগর মোড়ের লিটু হাউজ (ওয়ার্ড ৬৩) এলাকায় বসবাস করেন।
তার পিতার নাম মাওলানা মো: মফিজুল ইসলাম ফরাজি, বয়স ৫৫ বছর, পেশা শিক্ষক। মা নাসিমা বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী। পরিবারের মোট আটজন সদস্য, যার মধ্যে দুই ভাই রকিবুল ইসলাম (কামিল, মাস্টার্স) ও রাহাত বিন ইসলাম (ফাজিল, প্রথম বর্ষ) ধর্মীয় শিক্ষায় অধ্যয়নরত।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে, ১৯ জুলাই ভোরে ইকবাল মাহমুদ আন্দোলনের অগ্রভাগে উপস্থিত হন। দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে, যাত্রাবাড়ী কাজলা ফাতেমা নাজ পেট্রোল পাম্পের সামনে পুলিশ ও যুবলীগের হঠাৎ গুলিবিদ্ধে চারজন সহকর্মী নিহত হন। ইকবাল গুলির শট তার বাম পায়ের গোড়ালির উপরে আঘাত করে, তিনি রাস্তায় পড়ে যান এবং স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ইকবাল কোনো হাসপাতালে ভর্তি না করে, নিজের ঔষধ জ্ঞান ব্যবহার করে গুলির শটটি নিজে বের করেন। সাত দিন অ্যান্টিবায়োটিক ও ড্রেসিং চালাতে হয় এবং প্রায় দশ হাজার টাকা ব্যয় করেন। বর্তমানে তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন, যদিও জখমের ব্যথা মাঝে‑মধ্যে অনুভব করেন। ভবিষ্যতে তিনি তার ঔষধ ব্যবসা সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে একটি মেডিকেল সাপোর্ট সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন, যাতে আহত ও অসহায় মানুষকে সুলভ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যায়।
তথ্য ও ছবি: JulyShohid.com প্রতিবেদনটি প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
সূত্র: [1]