সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে অনিশ্চয়তা, মেলেনি তথ্য
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলেও দুই বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলেও দুই বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। নিহতরা হলেন নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সুয়েতি আক্তার। তাদের মরদেহের বর্তমান অবস্থান এবং দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে কূটনৈতিক চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশটির কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতদের পরিবার এখনো পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে ওই দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার দায়ে এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে বিচারপ্রক্রিয়া ও রায়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বিষয়টি জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটকেও জানানো হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকার পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, আইনি সহায়তা এবং মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।
নিহত নজরুলের পরিবার এখনো মরদেহের কোনো খোঁজ পায়নি এবং সুয়েতির বাবা মরদেহ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ১৯৬৩ সালের ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৭ অনুচ্ছেদে বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য কনস্যুলেটকে দ্রুত জানানোর কথা বলা হলেও মরদেহ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সরাসরি বাধ্যবাধকতা নেই। পুরো বিচার প্রক্রিয়া ও কনস্যুলার সহায়তার তথ্য প্রকাশের দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর দেশের হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।