এইচএসসিতে অনুত্তীর্ণদের পুনঃপরীক্ষা এক থেকে দুই মাসের মধ্যে
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নেওয়া হবে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নেওয়া হবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার সময় এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি উল্লেখ করেন, এক অথবা দুই বিষয়ে যারা পাস করতে পারেনি, তাদের জন্য এই পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এবার নিরপেক্ষভাবে খাতা ও মেধার মূল্যায়ন করা হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, এবার সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে মূল্যায়ন হয়েছে। ফলাফলে এক বিষয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন ফেল করেছে। সব মিলিয়ে মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হবে। এছাড়া ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।
এবার এইচএসসি ও সমমানে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। সাধারণ ৯টি বোর্ডে মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৬ জন পাস করেছে। সাধারণ বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ (জিপিএ-৫ ১৬,৭১৪), চট্টগ্রামে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ (জিপিএ-৫ ২,৯২৯), ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ (জিপিএ-৫ ২,১৩৭), সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ (জিপিএ-৫ ১,২০৪), দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ (জিপিএ-৫ ২,৯৫৩), রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৪,৫২০), যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৩,২২৮), বরিশালে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৯৫০) এবং কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ (জিপিএ-৫ ১,৩১৩)। এছাড়া মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৩,২৫০) এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৮৮৬)।