সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণে অনিয়মের মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় বাড়িয়েছেন আদালত।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণে অনিয়মের মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় বাড়িয়েছেন আদালত। তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই নির্দেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ নালিশি আবেদন করেন। আদালত বাদীর বক্তব্য শুনে দুদককে তদন্তের দায়িত্ব দেন। মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ছাড়াও এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ ও চেয়ারম্যান মিস মিরফাত আরা বেগমকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন মো. জয়নাল আবেদিন, আরাস্ত খান, অধ্যাপক মো. নাজমুল হাসান, আবু সাইদ মোহাম্মদ কাশেম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হোসেন, আহসান আলম, অধ্যাপক ডা. মো. সেলিম উদ্দিন, শওকত হোসেন, খুরশিদ-উল-আলম, অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, জামাল মোস্তফা চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. মো. সিরাজুল করিম।
মামলার নথি অনুযায়ী, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি ইসলামী ব্যাংকের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ বা ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার কেনে। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা। বাদীপক্ষের দাবি, আসামিরা যোগসাজশ করে জনগণের অর্থ ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। এছাড়া এস আলম সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক নিয়মনীতি ভঙ্গ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।