ডেইলি বাংলাগ্রাম

উচ্চমাধ্যমিকের বাংলা ১ম পত্রে যুক্ত হলো ২৪ লেখকের রচনা

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চমাধ্যমিকের বাংলা ১ম পত্রে যুক্ত হলো ২৪ লেখকের রচনা

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই সিলেবাসে মোট ২৪ জন কবি ও সাহিত্যিকের বিভিন্ন রচনা স্থান পেয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন পাঠ্যতালিকায় ১২টি গদ্য, ১২টি কবিতা এবং একটি করে উপন্যাস ও নাটক রাখা হয়েছে।

গদ্য অংশে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’, প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘অর্ধাঙ্গী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’, মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’, সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’, শওকত আলীর ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’, গী দ্য মোপাসাঁর ‘নেকলেস’ ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’ রয়েছে। সহপাঠ হিসেবে উপন্যাস বিভাগে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ এবং নাটকে সিকান্দার আবু জাফরের ‘সিরাজ-উদ-দৌলা’ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে কবিতা অংশে রয়েছে আলাওলের ‘ঋতু বর্ণন’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’, জীবনানন্দ দাশের ‘সুচেতনা’ ও জসীমউদ্‌দীনের ‘প্রতিদান’। এছাড়া সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ ও ‘আঠারো বছর বয়স’, ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’, শামসুর রাহমানের ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ এবং আল মাহমুদের ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতা হিসেবে পাঠ্যসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে।