রাজস্ব ফাঁকি ও জালিয়াতি রোধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর
অবৈধ হ্যান্ডসেট তৈরি, চোরাচালান এবং অনিবন্ধিত ফোন বিক্রির কারণে সরকারের বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
অবৈধ হ্যান্ডসেট তৈরি, চোরাচালান এবং অনিবন্ধিত ফোন বিক্রির কারণে সরকারের বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এই অপচয় ঠেকাতে এবং আর্থিক জালিয়াতি ও ক্লোন ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এই কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রথম ধাপে বর্তমানে নেটওয়ার্কে চালু থাকা সব হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় আসবে। একই সঙ্গে বৈধ আমদানিকারক ও স্থানীয় কারখানায় থাকা অবিক্রিত ফোনের আইএমইআই নম্বরও এই ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। তবে এ পর্যায়ে ফোনের নিবন্ধন বাতিলের সুবিধা কার্যকর না হলেও অবৈধ ও কর ফাঁকি দিয়ে বাজারে আসা ফোন শনাক্ত করে বিচ্ছিন্ন করা হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে কার্যকর হবে নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ফোনের প্রকৃত মালিকানা যাচাই এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলক চালুর পর থেকে ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধের কার্যক্রমটি এতদিন স্থগিত ছিল। পরে রাজস্ব বোর্ড ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সুপারিশের প্রেক্ষিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর এক উচ্চপর্যায়ের সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধু ২জি সমর্থিত মোবাইল ফোনের উৎপাদন, আমদানি ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধের একটি রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি।