কলকারখানায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে দুই পক্ষ একজোট হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ উসকে দিতে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দল হাত মিলিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ উসকে দিতে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দল হাত মিলিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের কাছে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ পাঠিয়ে এবং দেশে অবস্থানরত কিছু দলের সহায়তায় এই অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর মতে, সরকার যখন অর্থনীতি স্থিতিশীল করা ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে, তখন একটি মহল রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের অগ্রগতি রুখে দিতে চাইছে।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে। তিনি রাজশাহী অঞ্চলের পানির সংকট দূর করতে পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের সরকারি পরিকল্পনার কথা জানান। একই সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এই সমাবেশ থেকেই তিনি রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির মাঝে মুঠোফোনের মাধ্যমে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এই সমাবেশে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু ও সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে অতীতের রাজনীতির ধারা পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, রংপুর মহানগরের উন্নয়নে ইতিমধ্যে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং মন্দিরটির সহায়তায় তিনি ১০ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন। রংপুরের কর্মসূচি শেষে বিকেল তিনটায় উড়োজাহাজে করে রাজশাহীতে আসেন তারেক রহমান। পরে মাদ্রাসা মাঠের জনসভা শেষ করে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।