ডেইলি বাংলাগ্রাম

চাটখিলে লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল কমে হলো ১২৩৮, কর্মী প্রত্যাহার

নোয়াখালীর চাটখিলে এক আবাসিক গ্রাহকের ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল সংশোধন করে ১ হাজার ২৩৮ টাকা নির্ধারণ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

চাটখিলে লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল কমে হলো ১২৩৮, কর্মী প্রত্যাহার

নোয়াখালীর চাটখিলে এক আবাসিক গ্রাহকের ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল সংশোধন করে ১ হাজার ২৩৮ টাকা নির্ধারণ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। একই সঙ্গে এ ঘটনায় গাফিলতির দায়ে মমতাজ বেগম নামের এক বিলিং সহকারীকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। সেনবাগ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মিনারুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন এই কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহক শহীদুল ইসলাম উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তাঁর প্রয়াত দাদা আবু তাহেরের নামের মিটারটি ব্যবহার করেন। তাঁর ঘরে কয়েকটি বাতি, দুটি ফ্যান, একটি ফ্রিজ ও আইপিএস রয়েছে। বিগত পাঁচ মাসে তাঁর গড়ে ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং আগস্ট মাসে বিল আসে ১ হাজার ৩২৬ টাকা। তবে সেপ্টেম্বর মাসে ছয় হাজার ইউনিট ব্যবহার দেখিয়ে ভ্যাট ও বিলম্ব মাশুলসহ ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার বিল দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসার পর মঙ্গলবার রাতে চাটখিল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জুনায়েদুর রহমান গ্রাহকের বাড়ি গিয়ে সংশোধিত বিল বুঝিয়ে দেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন।

নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মকবুল আহমদ জানান, মিটারের রিডিং ঠিকঠাক নেওয়া হলেও কেন এমন ভুল বিল তৈরি হলো তা কমিটি খতিয়ে দেখছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি জানার পর পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট বিলিং সহকারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।