খুনের আসামির সাজা স্থগিত হলেও সিজেপি নেতাদের হেফাজত বৃদ্ধি, দ্বিচারিতার অভিযোগ দীপকের
খুনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক ব্যক্তির সাজা স্থগিত হওয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়া দলীয় নেতাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজত বাড়ানোর বৈপরীত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
খুনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক ব্যক্তির সাজা স্থগিত হওয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়া দলীয় নেতাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজত বাড়ানোর বৈপরীত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সোমবার মন্দির মার্গ থানার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দলটির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের হেফাজত আরও দুই দিন বাড়িয়েছেন। আগামী বুধবার তাঁদের ফের হাজির করার কথা রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে সিজেপি তাদের দুই সহ-আহ্বায়কের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইনি ব্যবস্থার তুলনা টেনে দীপকে জানান, এলাহাবাদ হাইকোর্ট ২০১৭ সালের একটি হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত নন্দলাল রায় ওরফে বাবলু রায়ের যাবজ্জীবন সাজা স্থগিত করেছে। ওই ব্যক্তি ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এর বিপরীতে দীপকে উল্লেখ করেন যে, আশুতোষ ও সৌরভ লন্ডনের কর্পোরেট চাকরি এবং আইনি পেশার নিশ্চিত জীবন ছেড়ে দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলতে এসেছিলেন। কোনো অপরাধ না করেও শুধুমাত্র জনস্বার্থে প্রতিবাদ করার কারণেই তাঁদের আটকে রাখা হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে আশুতোষ ও সৌরভকে আটক করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁদের জামিনের আবেদন ও জামিননামা খারিজ করে দেওয়া হয়। সিজেপির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। এর আগে শুনানিকারী ম্যাজিস্ট্রেট হুমকি পাওয়ার দাবি করায় পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরি নথিবদ্ধ করে। সিজেপি জানিয়েছে, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।