ডেইলি বাংলাগ্রাম

বাকুতে সিকা সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের ভাষণ বর্জন করল ১৩ দেশ

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত 'কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া' (সিকা) শীর্ষ সম্মেলনে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের বক্তব্য বয়কট করেছে ১৩টি দেশ।

বাকুতে সিকা সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের ভাষণ বর্জন করল ১৩ দেশ

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত 'কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া' (সিকা) শীর্ষ সম্মেলনে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের বক্তব্য বয়কট করেছে ১৩টি দেশ। হারজগ বক্তব্য শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই এই প্রতিনিধি দলগুলো সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করে। গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিবাদে দেশগুলো এই ওয়াকআউট করে। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত ২৮ সদস্যের এই সংস্থার এবারের আসরে রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতি ছিল বেশ কম। এতে অংশ নেন মাত্র সাতজন প্রেসিডেন্ট এবং কাতারের আমির।

এই প্রতীকী কূটনৈতিক প্রতিবাদের সূচনা করে ইরানের প্রতিনিধি দল। দেশটির আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম গরিবাবাদীর নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধিরা প্রথমে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এরপর একে একে আরও ১২টি দেশের প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে যোগ দেন। সভার একপর্যায়ে কাজিম গরিবাবাদী এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে সিকা থেকে ইসরায়েলকে বহিষ্কারের দাবি জানান। সম্মেলন শেষে হারজগ নিজের সরকারি বিমানে না গিয়ে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে গোপনে তেল আবিবে ফিরে যান।

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আজারবাইজান ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোয় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র তুরস্ক, ইরান ও পাকিস্তান বাকু প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। ফিলিস্তিনের গাজা সংকট চলাকালে ইসরায়েলকে এমন কূটনৈতিক সুযোগ দেওয়ায় মুসলিম বিশ্বে আজারবাইজানের অবস্থান প্রশ্নের মুখে পড়েছে।