টোকিওর বিতর্কিত ইয়াসুকুনি উপাসনালয়ে আর্থিক উপহার পাঠালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী
টোকিওর বিতর্কিত ইয়াসুকুনি উপাসনালয়ে সোমবার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক উপহার পাঠিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি।
টোকিওর বিতর্কিত ইয়াসুকুনি উপাসনালয়ে সোমবার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক উপহার পাঠিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি। এই উপাসনালয়টি দীর্ঘদিন ধরে চীনসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে জাপানের কূটনৈতিক বিরোধের অন্যতম কারণ। এর আগে শরৎকালীন উৎসব উপলক্ষে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হিসেবে শনিবার তিনি সেখানে 'মাসাকাকি' নামের একটি ধর্মীয় উপহারও পাঠিয়েছিলেন।
অন্যদিকে দেশটির ভূমিমন্ত্রী তাতসুনোরি ইবায়াশি এবং ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নিশিমুরা ইয়াসুতোশি সরাসরি এই উপাসনালয়ে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। লাখ লাখ যুদ্ধাহত ও নিহত ব্যক্তির পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের স্মরণে এই স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছে। অতীতে জাপানের নেতাদের এমন তৎপরতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া। ১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত কোরিয়া জাপানি উপনিবেশ ছিল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি বাহিনী চীনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে রেখেছিল।
এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল যখন বেইজিং ও টোকিওর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। প্রায় এক বছর আগে তাকাইচি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তাইওয়ানে কোনো আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করতে জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনী পদক্ষেপ নিতে পারে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ মনে করে এবং মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। তবে তাইওয়ান বরাবরই নিজেদের স্বাধীন হিসেবে দাবি করে আসছে।