ডেইলি বাংলাগ্রাম

লেবাননের সীমান্ত গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিবর্ষণ, অবরুদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় বাসিন্দারা

দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকার গ্রাম ও সংযোগকারী সড়কগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর ক্রমাগত হামলার কারণে স্থানীয় জনপদগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

লেবাননের সীমান্ত গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিবর্ষণ, অবরুদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় বাসিন্দারা

দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকার গ্রাম ও সংযোগকারী সড়কগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর ক্রমাগত হামলার কারণে স্থানীয় জনপদগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনো রাস্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ না করে কিংবা গ্রামে সরাসরি সেনা মোতায়েন না করেই প্রবেশমুখে গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক যাতায়াত, কৃষিজমিতে যাওয়া এবং চিকিৎসাসেবা নেওয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি ভেতরে প্রবেশ না করে দূরবর্তী উঁচু জায়গা থেকে গোলাবর্ষণ ও ড্রোন নজরদারির মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। বিশেষ করে মোটরসাইকেল বা ভ্যানের মতো যানবাহনকে সন্দেহভাজন হিসেবে নিশানা করা হচ্ছে। বড় ধরনের স্থল অভিযান ছাড়াই থেমে থেমে গোলা ছুঁড়ে বাসিন্দাদের গ্রামে ফেরা আটকে দেওয়া এবং সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন অসম্ভব করে তোলাই এর মূল উদ্দেশ্য। গত সপ্তাহে কাফার শৌবার বাসিন্দাদের জমিতে যেতে বাধা দেওয়া হয় এবং মারজায়ুন-ইবেল আল সাকিসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রবেশপথে গুলিবর্ষণ করা হয়।

বর্তমানে খারদালি দিয়ে নাবাতিয়েহ-মারজায়ুন সড়ক, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা, কাফার তিবনিত ও কাফার রুম্মান এলাকার সংযোগ সড়কগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত ২ অক্টোবর দেইর মিমাস পৌরসভার একটি প্রতিনিধি দল জলপাই সংগ্রহ ও যাতায়াতের নিশ্চয়তা চেয়ে প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে দেখা করে। এর আগেও মার্চ মাসে খারদালি ও মারজায়ুন-হাসবাইয়া সড়ক হামলার মুখে বন্ধ হয়েছিল। পরবর্তীতে ৪ জুন লেবাননের সেনাবাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে মারজায়ুন-দিব্বিন-ইবেল আল সাকি সড়কটি পুনরায় চালু করে।