সরকারি কর্মচারীদের বাসা বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হলো অনলাইনে
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বাসা বরাদ্দের প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনলাইনে চালু হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বাসা বরাদ্দের প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনলাইনে চালু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির ৫৪টি ফাঁকা বাসার বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ৫৯৬টি। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৩ ৪২টি আবেদন বৈধ বিবেচিত হয় এবং প্রয়োজনীয় শর্ত না মানায় বাতিল হয় ২৫৪টি আবেদন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জানান, সেবায় স্বচ্ছতা আনা এবং সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই ডিজিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আবেদনকারীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। জানা গেছে, ২০২১ সালেই এই অনলাইন ব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতা তৈরি হয়েছিল। তবে নানা ধরনের বাধা ও চাপের মুখে এতদিন তা চালু করা যায়নি। ফলে এখন বাসা বরাদ্দ কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, সচিব ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবদুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় কর্মরত ২ লাখ ২২ হাজার সরকারি কর্মচারীর বিপরীতে আবাসন সুবিধা রয়েছে মাত্র ২১ হাজার বাসার। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা বা গ্রেড অনুযায়ী এসব বাসা বরাদ্দ করা হয়। এর মধ্যে সচিবালয় ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্যদের জন্য সুপিরিয়র, এফ, ই, ডি-১ এবং ডি-২ শ্রেণির বাসা রয়েছে। নতুন এই সুবিধার ফলে আবেদনকারীরা এখন অনলাইনেই সহজে বরাদ্দের ফলাফল দেখতে পারবেন।