ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও বিধিমালা বাস্তবায়নে ঘাটতির অভিযোগ টিআইবির
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, ২০২১ সালে এ সংক্রান্ত বিধিমালা তৈরি হলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মূলত পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতার অভাব এবং সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেই এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে টিআইবি ও WEEE Society Bangladesh-এর যৌথ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে ই-বর্জ্য সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্তের ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে এই খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি জেলায় ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র তৈরির প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ প্রশংসনীয় হলেও এসব উপকরণের বর্জ্য পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।
আলোচনা সভায় আরও জানানো হয়, দেশের ৪১টি জেলায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার নষ্ট ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পড়ে রয়েছে। এসব অকেজো যন্ত্রের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা কিংবা পুনর্ব্যবহারে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।