ডেইলি বাংলাগ্রাম

UN সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রী হবেন প্রধান বক্তা

রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। বন্ধুরাষ্ট্র, দাতাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে।

UN সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রী হবেন প্রধান বক্তা

বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যাকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদে একটি উচ্চপর্যায়ের ইভেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এই তথ্য পার্লামেন্টে বিএনপি সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে বিদেশে আছেন এবং লিখিত প্রশ্নে জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক আলোচনার শীর্ষে রাখতে বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ অন্যান্য ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী চীন ও মালয়েশিয়া সফরে এই বিষয়টি জোর দিয়ে উত্থাপন করেছেন। দেশের প্রতিনিধিত্বকারী দল UN সাধারণ পরিষদ ও মানবাধিকার কাউন্সিলে প্রস্তাব গ্রহণ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের চলমান মামলাগুলোতেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। ৮১তম অধিবেশন গত মঙ্গলবার শুরু হয়েছে, যার সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দায়িত্বে আছেন। ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মাধ্যমে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে।

খলিলুর রহমান জানান, পূর্বের সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কেবল তৎপরতা দেখিয়েছে, কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়নি, ফলে সংকট দীর্ঘায়িত হয়েছে। বর্তমান সরকার দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্তরে দৃঢ় উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই সমাধান ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। রোহিঙ্গা জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি এবং ক্যাম্পের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সমমর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে সরকার চেষ্টা করছে, সীমান্তে ‘পুশ‑ইন’ ঘটনার বিষয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছে। এছাড়া, পূর্বের সরকারের দূতাবাসের দুর্বলতা দূর করে বর্তমান সরকার জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া চালু করেছে।