ডেইলি বাংলাগ্রাম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩‑বছরীয় ছাত্র অপ্রতিমের দেহ জঙ্গলে পাওয়া, তদন্ত চলছে

কুমিল্লায় ১৩ বছরের এক শিশুর মৃত্যু ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ, শোক ও বিচারের দাবি; প্রশ্ন উঠছে—শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজ ও রাষ্ট্র কতটা জেগে আছে?মায়ের কাছ থেকে আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ১৩ বছরের অপ্রতিম। বয়স এমন, যে বয়সে একটি শিশুর পৃথিবীজুড়ে থাকার কথা স্কুল, বন্ধু, খে...

শেয়ার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩‑বছরীয় ছাত্র অপ্রতিমের দেহ জঙ্গলে পাওয়া, তদন্ত চলছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা নাহিদের ১৩‑বছরীয় পুত্র অপ্রতিম শুক্রবার বিকেলে আইফোন হাতে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তিনি সন্ধ্যায় ফিরে আসেন না। শনিবার কোটবাড়ি এলাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের জঙ্গলে তার দেহ পাওয়া যায়; দেহে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় এবং আইফোনটি এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং কিছুকে হেফাজতে রেখেছে, তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি।

অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর সামাজিকমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কবি, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করছেন এবং দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে; ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে প্রায় ১৫,০০০ শিশুর নিখোঁজের তথ্য জিডি রিপোর্টে রয়েছে, যদিও সঠিক পুনরুদ্ধার ও অপরাধের ধরন সম্পর্কে সমন্বিত ডেটাবেসের অভাব রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষোভকে কার্যকর করা দরকার। প্রথম কয়েক ঘণ্টায় পুলিশ কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, স্থানীয় পর্যায়ে কী দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আছে, এবং স্কুল ও পরিবার কীভাবে অনলাইন নিরাপত্তা শিক্ষা দেবে—এই প্রশ্নগুলো উত্তর না পেলে সামাজিকমাধ্যমের শোক কেবল এক মুহূর্তের আবেগে সীমাবদ্ধ থাকবে। অপ্রতিমের মতো কেসের স্বচ্ছ তদন্ত এবং কাঠামোগত পরিবর্তনই ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনার প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি।