ডেইলি বাংলাগ্রাম

এক্সপ্রেসওয়ে ও ধানমন্ডিতে দুইটি অপরাধে মোট নয়জন গ্রেপ্তার

পুলিশ বাসের সুপারভাইজার, হেলপার এবং চালককে গ্রেপ্তার করেছে।

এক্সপ্রেসওয়ে ও ধানমন্ডিতে দুইটি অপরাধে মোট নয়জন গ্রেপ্তার

পুলিশ বাসের সুপারভাইজার, হেলপার এবং চালককে গ্রেপ্তার করেছে। তারা ৪ সেপ্টেম্বর জামালপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসে ওঠা ৪৯ বছর বয়সী ইসমাইল হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে, পরে তার দেহ এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে ফেলে দেয়। একই সময়ে ধানমন্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা চুরি করার মামলাতেও অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনা কর্মকর্তাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইসমাইল হোসেন বাসে ভাড়া নেওয়ার সময় তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা সুপারভাইজার সাজু (লিমন) লক্ষ্য করেন। তিনি হেলপার ও চালকের সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করেন। এরপর বাসের অন্য যাত্রীদের নামিয়ে ইসমাইলকে আটকে রাখা হয়, শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং দেহটি এক্সপ্রেসওয়ের বানা‌শী অংশে ফেলা হয়। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে বাসটি শনাক্ত করা হয়, এবং মহাখালী থেকে বাসটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সুপারভাইজার সাজু (লিমন), হেলপার মনির এবং চালক সোহেল রানা।

৩০ আগস্ট স্বর্ণ বিক্রির কথা শোনে ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে ধানমন্ডিতে ডাকা হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে চক্রের সদস্যরা আটকে ৩৮ লাখ টাকা চুরি করে নেয়। ধানমন্ডি থানা পুলিশ এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্ত চালু রয়েছে।