ডেইলি বাংলাগ্রাম

‘আমার তো সব শেষ হয়ে গেল, এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার তাদের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের লাশ শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা জঙ্গলে পাওয়া যায়।

শেয়ার
‘আমার তো সব শেষ হয়ে গেল, এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার তাদের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের লাশ শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা জঙ্গলে পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, দেহে মাথার আঘাতের চিহ্ন আছে এবং একটি সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদে আটক করেছে।

নাহিদা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তিনি আর কীভাবে বাঁচবেন। ফিরোজ শাহরিয়ার শুক্রবার দুপুরে অপ্রতিমকে খাবার খাওয়ান, তাকে বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং গিফটের কথা বলেন, তবে ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে যায় এবং আর ফিরে আসে না। তিনি জানান, পরে থানায় জিডি করে, বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালালেও কোনো ফল না পেয়ে পুলিশই দেহ উদ্ধার করেছে।

অপ্রতিম গন্ডমতী (দক্ষিণ বাগমারা) এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী জাহান বলছেন, ছেলেটি পড়াশোনায় ভাল, শান্ত এবং কোনো সমস্যায় জড়াতে দেখা যায়নি। তার মৃত্যু সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের স্রোত তৈরি করেছে।