সাভার‑আশুলিয়া সড়কে গর্ত‑নির্মাণের কারণে যানজট, ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষের আশ্বাস
ঢাকা‑আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান কাজ ও সাভার‑আশুলিয়া সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত‑খানাখন্দের ফলে যানবাহনের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঢাকা‑আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান কাজ ও সাভার‑আশুলিয়া সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত‑খানাখন্দের ফলে যানবাহনের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। গর্তে গাড়ি হেলেদুলে গড়িয়ে যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, পণ্য ও রোগীর পরিবহনে বিলম্ব হচ্ছে এবং ভাড়া ও খরচ বেড়েছে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাইপাইল থেকে আশুলিয়া ও ইপিজেড পর্যন্ত এক‑পাশের দুই‑লেন কাজ সম্পন্ন হবে, ফলে ভোগান্তি কমে যাবে।
বাইপাইল‑আশুলিয়া রুটের বিভিন্ন স্থানে গর্ত, ইটের সলিং, কার্পেটিং ও ড্রেনের কাজ চলছে; নরসিংহপুর, বগাবাড়ী, ইউনিক বাসস্ট্যান্ড, শিমুলতলা ও নিশ্চিন্তপুরে সড়ক সংকুচিত ও উঁচু‑নিচু গর্ত দেখা যাচ্ছে। চালক মো. কামরুল ইসলাম জানান, গর্তের কারণে ড্যামারেজে অতিরিক্ত খরচ, ব্রেক ও চাকার ক্ষতি হচ্ছে। গাজীপুর‑সিরামিকের চালক মো. মামুন মিয়া ও জামগড়া চৌরাস্তার সবজি বিক্রেতা মো. আকাশের মত লোকজনও গর্তের ঝাঁকির ফলে পণ্য ভেঙে যাওয়া ও ভাড়া বাড়ার সমস্যার মুখোমুখি।
ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩.৭১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুটি সেবা সেতু খুলে দেওয়া হয়েছে, যা কিছু শিল্পকারখানার পণ্য পরিবহন সহজ করেছে। তবে সেতুর কাছাকাছি গর্তের অবস্থা এখনও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন, বিশেষ করে বৃষ্টির পরে ক্ষতি বাড়ছে। প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে এক‑পাশের দুই‑লেন কাজ শেষ হলে সড়কটি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হবে এবং গর্তের মেরামত চালিয়ে যাবে।