২০ এনবিআর কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফের আদেশ রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি ২০ জন এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফের অনুমোদন দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ২০ জন এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফের অনুমোদন দিয়েছেন। এই কর্মকর্তারা ২০২৫ সালের মে মাসে জারি হওয়া ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’‑এর বিরোধে কর্মবিরতি পালন করেছিল। তারা শাস্তি বাতিলের জন্য আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি তা মঞ্জুর করে দণ্ড বাতিলের আদেশ জারি করেছেন।
মে‑জুন ২০২৫‑এ এনবিআরের সর্বস্তরের কর্মকর্তারা নীতি‑বিরোধী আন্দোলন শুরু করে। কর্মবিরতির সময়ে তাদের বদলি আদেশ প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং তারা শৃঙ্খলা বিধি লঙ্ঘন করে। বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত, বেতন গ্রেড অবনমনসহ শাস্তি আরোপ করা হয়।
শাস্তি মওকুফপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে কমিশনার জাকির হোসেন, অতিরিক্ত কর কমিশনার হাছান তারেক রিকাবদার, মির্জা আশিক রানা, চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, সুলতানা হাবীব, মুরাদ আহমেদ, সিফাত ই মরিয়ন, আ আমীমুল ইহসান, সাধন কুমার কুণ্ডু, যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন, মামুন মিয়া, মাসুমা খাতুন, মোরশেদ উদ্দীন খান, সানোয়ারুল কবির, উপ‑কর কমিশনার জিল্লুর রহমান, ইমাম তৌহিদ হোসেন, সাইদুল ইসলাম, শাহাদাৎ জামিল, এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া ও শফিউল বশর অন্তর্ভুক্ত। আন্দোলনের ফলে দেশের রাজস্ব প্রশাসন ও শুল্ক‑কর কার্যালয়গুলোতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল, যা ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় স্থগিত করা হয়।