বাড়তি গ্যাসের দুই ভাগ শিল্পে, এক ভাগ বিদ্যুৎ খাতে
গ্যাস সরবরাহ প্রায় দুই মাসের বিরতির পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
গ্যাস সরবরাহ প্রায় দুই মাসের বিরতির পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মোট বাড়তি গ্যাসের তিন ভাগের একটি ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনে, বাকি দুই ভাগ শিল্পে পাঠানো হচ্ছে। জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শিল্প গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
আজকের সরবরাহ ২৬০ কোটি ঘনফুটে স্থিত হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৬১ কোটি ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে ৯৯ কোটি ঘনফুট এসেছে। পূর্বে চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও, দীর্ঘ সময়ে ২৬৫‑২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল। জুলাই ২১-এ মহেশখালী টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সরবরাহ ২২০ কোটি ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল; আগস্ট ১৫-এ পুনরায় চালু হয়ে ২৩২ কোটি ঘনফুটে বাড়ানো হয়। গত মঙ্গলবার এলএনজি থেকে ১০১ কোটি ঘনফুট সরবরাহের ফলে মোট ২৬৩ কোটি ঘনফুট হয়েছিল।
তিতাস গ্যাসের সরবরাহে শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে ঘাটতি রয়ে গেছে। ২১ জুলাইয়ের আগে তিতাসকে মোট ১৫০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হতো, যার মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৩০ কোটি ঘনফুট, সার কারখানায় ৭ কোটি ঘনফুট এবং বাকি শিল্পে। গতকাল তিতাসের মোট গ্রহণ ১৩৭ কোটি ঘনফুট, যার মধ্যে বিদ্যুৎ ২২ কোটি ঘনফুট, সার ৭ কোটি ঘনফুট এবং শিল্পে ১০৮ কোটি ঘনফুট। তিতাসের শিল্পে সরবরাহ ৩০ শতাংশ কম, অন্য সংস্থাগুলোতে ৩০ শতাংশ বেশি দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা—ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, গাজীপুর—এ গ্যাসের চাপ ও সরবরাহের উন্নতি দেখা গেছে, তবে কিছু এলাকায় এখনও চাপ কম।