ডেইলি বাংলাগ্রাম

ভাঙা প্রথম ছবিটি জিন্নাহর একক ছবি নয়, দ্বিতীয়টি লাহোর প্রস্তাবের : জুমা

ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) সংগ্রহশালায় থাকা তিনটি বিতর্কিত ছবি ভেঙে ফেলার পর, ডিএকএসউর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা ফেসবুকে ব্যাখ্যা দেন।

ভাঙা প্রথম ছবিটি জিন্নাহর একক ছবি নয়, দ্বিতীয়টি লাহোর প্রস্তাবের : জুমা

ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) সংগ্রহশালায় থাকা তিনটি বিতর্কিত ছবি ভেঙে ফেলার পর, ডিএকএসউর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা ফেসবুকে ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, প্রথম ভাঙা ছবি জিন্নাহর একক ছবি নয়; তা ১৯৭০ সালের পাকিস্তান প্রথম জাতীয় নির্বাচনের পেপার কাটিং, যেখানে জিন্নাহর নামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিতীয় ছবিটি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সময়ের, যেখানে শেরে বাংলা ও জিন্নাহ দুজনই উপস্থিত ছিলেন; তাই লাহোর প্রস্তাবের ছবি ভাঙা হয়েছে। তৃতীয় ছবিতে জিন্নাহ একমাত্র রাষ্ট্রভাষা চাইতে চেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে, যা ক্যাপশনে একইভাবে লেখা আছে, তবে তা ভাষা আন্দোলনের সূচনা হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা।

এই ছবিগুলো ভেঙে ফেলার কাজটি সাবেক শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার করেন, যিনি ডিএকএসউ নির্বাচনে ভাইস‑প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরূপে নাম লেখালেন। তিনি ২০০১‑০২ শিক্ষাবর্ষে উর্দু বিভাগে পড়েছিলেন। হাবিলদার বলেন, জিন্নাহ স্বাধীনতার সূত্র তৈরি করেছেন, তবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করা এবং বাংলা বাদ দেওয়া সিদ্ধান্তে তিনি ও তার সহপাঠীরা বিরোধিতা করেন।

হাবিলদার আরও উল্লেখ করেন, ভাষা আন্দোলনের মূল নেতা প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ১১ মার্চ ১৯৪৮ তারিখে হরতাল শুরু করেন; তাতে দুই হাজারের বেশি ছাত্র গ্রেফতার হন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমন কোনো জিন্নাহর ছবি ডিএকএসউতে স্থান পাবে না।