কক্সবাজারে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষিত
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারে আরেকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারে আরেকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, দেশের আন্তর্জাতিক যাত্রীসংখ্যা এখন ২ কোটি ৪০ লাখের ওপর এবং ভবিষ্যতে ৩ কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিদ্যমান বিমানবন্দরে সব উড়োজাহাজের জন্য পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় নতুন বন্দর প্রয়োজন।
এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর কুর্মিটোলার ইউনাইটেড কনভেশন সেন্টারে ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মন্ত্রী বিমানবন্দর ও কার্গো সুবিধা আন্তর্জাতিক মানের করতে চান এবং উড়োজাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ২৫ মিনিটে নামিয়ে আনতে লক্ষ্য রাখছেন। তিনি বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার কথা উল্লেখ করেন এবং ৪২ বছরের পুরোনো বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিধি পরিবর্তনের উদ্যোগের কথা জানান।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বছরে ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী পরিবহনের ক্ষমতা রাখবে। টার্মিনালটি ডিসেম্বর মাসে সীমিতভাবে (সফট ওপেনিং) এবং মার্চ–এপ্রিলে পূর্ণ কার্যক্রম শুরু হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গড়ে তুলতে বিমানবন্দর অবকাঠামো, ফ্লাইট সংখ্যা এবং কার্গো সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এমডি আবদুল্লাহ আল মামুন কর ও চার্জের বোঝা, দীর্ঘ ট্যাক্সিং সময় এবং নীতিগত জটিলতা ব্যবসার খরচ বাড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য নূর-ই-আলম জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ৫৬টি দেশের সঙ্গে চুক্তি রক্ষা করে, যার মধ্যে ৩৪টি বিদেশি যাত্রীবাহী, ৭টি কার্গো এবং ৪টি দেশীয় এয়ারলাইন নিয়মিত ফ্লাইট চালাচ্ছে; অব্যবহৃত বিমানবন্দরগুলো পুনরায় সক্রিয় করার পরিকল্পনা চলছে।