ডেইলি বাংলাগ্রাম

হ্যাম‑ডেঙ্গুতে বাংলাদেশ রেকর্ড‑সীমা অতিক্রম করেছে

বাংলাদেশে মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া হ্যাম‑ডেঙ্গু সংকট রেকর্ড‑সীমা ছুঁয়েছে।

হ্যাম‑ডেঙ্গুতে বাংলাদেশ রেকর্ড‑সীমা অতিক্রম করেছে

বাংলাদেশে মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া হ্যাম‑ডেঙ্গু সংকট রেকর্ড‑সীমা ছুঁয়েছে। হ্যাম‑সদৃশ উপসর্গে এক হাজারেরও বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, মোট রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৮৭ হাজারের বেশি, যা দেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজারের উপরে, মৃত্যুর সংখ্যা ১৩০‑এর বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হ্যাম রোগীর সংখ্যা ১,৮৭,০০০, যার মধ্যে ২০,০০০ ল্যাব‑নিশ্চিত। হ্যাম‑জনিত নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১০০, মোট মৃত্যু ১,০১২। ডেঙ্গু রোগীর মোট সংখ্যা ৪৯,২২০, মৃত্যুর সংখ্যা ১৪১। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে দুইজনের মৃত্যু এবং ৭৯০ রোগীর ভর্তি হয়েছে। সরকার ছয় মাসের বেশি সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ, সমন্বয়হীনতা এবং তদারকি ঘাটতি অভিযোগের মুখে। প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমান তিন মাসের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা প্রচার করতে আহ্বান জানিয়েছেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিষ্কার‑পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু করবেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, হ্যাম ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দ্রুত শনাক্তকরণ, তদারকি ও টিকাদান অপরিহার্য। টিকাদান ঘাটতি ও অপুষ্টি শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হ্যাম টিকাদান পুনরায় শুরু করার কথা জানিয়েছেন; ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সরবরাহ করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ১৪ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান সম্পন্ন করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন বেড, মোবাইল হাসপাতাল এবং উপজেলায় চিকিৎসা সেবা জোরদার করা হয়েছে।