ডেইলি বাংলাগ্রাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রস্তাবিত নীতিতে ৫০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের জন্য বাহ্যিক নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক

বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নতুন নীতি প্রস্তাব করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রস্তাবিত নীতিতে ৫০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের জন্য বাহ্যিক নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক

বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নতুন নীতি প্রস্তাব করেছে। ১০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ঋণের ব্যবহার অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগে যাচাই হবে। ৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ যাচাইয়ের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত অডিট ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করা হবে। নীতি এখনও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

নিরীক্ষা প্রক্রিয়ায় ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে জড়িত ইউনিটের কর্মীকে যাচাই দল থেকে বাদ দেওয়া হবে। বাহ্যিক অডিট ফার্মকে একই ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার কাজেও নিয়োজিত করা যাবে না। ১০০ কোটি টাকার নিচে ঋণের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ব্যবহার বিবরণী সংগ্রহ করা হবে এবং ঝুঁকি‑ভিত্তিক যাচাই করা হবে। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মোহাম্মদ ওবায়দুল হক এবং এনআরবিসি ব্যাংকের তৌহিদুল আলম খান উভয়েই নীতির সময়োপযোগিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন।

বড় ঋণের অপব্যবহার দেশের উচ্চ খেলাপি ঋণের প্রধান কারণ। জুনের শেষ পর্যন্ত মোট খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকার উপরে পৌঁছেছে, যার মধ্যে মাত্র তিন মাসে ১৮ হাজার কোটি টাকার বৃদ্ধি ঘটেছে। খেলাপি ঋণের অনুপাত ৩২.৭৯% এ বেড়েছে, যা মার্চের ৩২.২৬% থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সমস্যার মোকাবেলায় ঋণ পুনঃতফসিলের শর্ত কঠোর করেছে এবং আন্তর্জাতিক অভ্যাসের মতো তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে।