আগামী সপ্তাহে ১৫ জেলায় ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি
ডেঙ্গু বর্তমানে ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে রয়েছে এবং প্রতিদিন শত শত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
ডেঙ্গু বর্তমানে ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে রয়েছে এবং প্রতিদিন শত শত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। সরকার সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুর দিকে রোগের অবস্থা আরও খারাপ হবে বলে সতর্ক করেছে। বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল, বরগুনা, বান্দরবান ও পটুয়াখালী এই ১৫ জেলায় সংক্রমণ বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। শনিবার থেকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হবে; উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই অভিযান তিন মাসের জন্য চলবে।
আইইডিসিআর চার বছরের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে যে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে ৪৯,২২০ জন হাসপাতাল ভর্তি হয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যা জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৫, জুন ১৩, জুলাই ৩৬, আগস্ট ৪৩ এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনে ৪৪, ফলে এই বছর মোট ১৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের হার পুরুষ ৬২ % এবং নারী ৩৮ %। মৃত্যুর হার নারীদের মধ্যে ৫২ % এবং পুরুষদের মধ্যে ৪৮ %। ২০২৩ সালে ৩,২১,১৭৯ জনের সংক্রমণ এবং ১,৭০৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে, মৃত্যুহার ০.৫৩ %। ২০২৪‑২৫‑২৬ সালে মৃত্যুহার যথাক্রমে ০.৪৯ %, ০.৩৪ % এবং ০.২৮ % (৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) ছিল, তবে এই বছর সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ০.২৯ % হয়েছে।
ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি স্ট্রেইন – ডেনভি১, ডেনভি২, ডেনভি৩ ও ডেনভি৪ – সক্রিয় রয়েছে। আইইডিসিআর ৭১ রোগীর নমুনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে ৯১.৫ % সংক্রমণ ডেনভি৩ এবং ৮.৫ % ডেনভি২ দ্বারা ঘটেছে। ডেনভি২ প্রধানত বরগুনা ও বান্দরবান জেলায়, আর পিরোজপুরে ডেনভি২ প্রাধান্য পায়। ডিএনসিসি দেড় হাজার কর্মী নিয়ে মাঠে নামছে, এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতের মতে, জনসম্পৃক্ততা ছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব নয়।